কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায় ২০২২

কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায়?এই বিষয়টা অনেকেই ভাবেন। 

কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায় ২০২২
কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায় ২০২২ 

কিভাবে পড়ালেখা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায় অনেকেই বুজতে পারেন না। আমাদের আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আশা করি, আপনি কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায় সেই সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পারবেন।

পড়াশোনার জন্য একটি রুটিন বানাবেন :

আপনি যদি একজন ভাল Student হতে চান বা পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে চান তবে আপনাকে একটি রুটিন বানাতে হবে। কারন আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী পড়াশোনা না করেন তবে দেখা যাবে আপনি কোনটা রেখে কোনটা পড়বেন বুজতে পারবেন না।

 

আর যদি একটা রুটিন বানিয়ে নেন তবে কোনটার পরে কোনটা পড়বেন সেটা খুব সহজেই বুজতে পারবেন। আর তাই সবার আগে একটি রুটিন বানাবেন, রুটিন থাকলে প্রতিদিনের পড়া আপনি প্রতিদিন শেষ করতে পারবেন কোণ সাবজেক্টে কতটুকু সময় দিবেন তা আপনার আগে থেকে জানা থাকবে।

০১. প্রতিদিন লেখাপড়া করা লাগবে     

আপনি যদি আসলেই লেখাপড়ায় ভাল করতে চান বা রেজাল্ট ভাল করতে চান তাহলে আপনাকে প্রতিদিন পড়াশোনা করা লাগবে। আপনি যদি নিয়মিত ভাবে পরাশোনা না করেন তাহলে আপনি কখনই পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে পারবেন না।

 

আপনি আজকে যেটা পড়বেন সেটা হয়তো দেখা যাবে কিছুদিন পরে ভুলে যাবেন কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত ভাবে পড়েন তাহলে আপনার পড়াটা মনে রাখতে পারবেন ভুলে যাবেন না সহজে। আর তাই আপনাকে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করে ফেলতে হবে আর বেশি বেশি করে পড়া লাগবে, যে বিষয়টা না বুজবেন সেটা বেশি বেশি করে পড়বেন।  

 

অনেক Student আছে যারা সারা বছরে কোন পড়াশোনা করে না কিন্তু পরিক্ষা যেদিন শুরু হবে তার আগের দিন পড়তে বসে। আর যার কারনে দেখা যায় অনেক কিছু এক সাথে পড়তে গিয়ে কিছুই মনে রাখতে পারে না। আর পরিক্ষার এক দিন আগে যদি পড়েন তাহলে দেখা যাবে পরিক্ষার হলে গিয়ে কিছুই মনে থাকবে না, আর তার ফলসরূপ আপনাদের পরীক্ষার রেজাল্ট অনেক খারাপ হবে।

কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায়
কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায়

                          

কিন্তু আপনি যদি পরিক্ষার আগে প্রতিদিন পড়েন তাহলে আর পরিক্ষার আগের দিন চিন্তা করা লাগবে না। আর বেশি চাপ ও থাকবে না শুধু একবার দেখে গেলেই হবে। পরীক্ষার হলে  যাওয়ার পরে যখন আমাদেরকে প্রশ্ন দেওয়া হবে তখন আমরা খুব সহজেই বুজতে পারব যে আমরা কোণ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব আর কোনটা পারব না। যে প্রশ্নের উত্তর পারব সেগুলো খুব সহজেই লিখে দিতে পারব।

০২. প্রতিদিন ক্লাস করবেন  

প্রতিদিন ক্লাস করলে লেখাপড়ার উপরে একটা আগ্রহ এসে যায়, পড়তে ও ভাল লাগে। সেটা স্যারদের ভয়ে হোক বা পড়া না পারার কারনে সবার সামনে লজ্জা পেতে হবে সেই চিন্তা করেও পড়া লাগে। আর প্রতিদিন ক্লাস করলে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়া হবে যার ফলে আমাদের পড়াশোনাটা ও অনেক ভাল হবে। আর স্যার মেড্যামরা ক্লাসে আসলে বিভিন্ন উপদেশ দিয়ে থাকেন সেগুলো শুনলে ও আমাদের পড়াশোনা করার প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়ে যেতে থাকে।

 

অর্থাৎ, তারা ক্লাসে আসলে আমাদেরকে নানান ভাবে বুজাতে থাকে যে কেন আমাদের নিয়মিত ভাবে ক্লাস করতে হবে বা পড়াশোনা কেন করতে হবে। এই রকমের আর ও অনেক বিষয় সম্পর্কে আমাদেরকে বুজাতে থাকে, আর যেটা আমাদের অনেক কাজে লাগে লেখাপড়ায়।  

০৩. পড়াশোনাতে অমনোযোগী হওয়া যাবে না

পড়াশোনা করার সময়ে আমাদের হাতের কাছে মোবাইল ল্যাপটপ এগুলোকে রাখা যাবে না, মোবাইল এর মধ্যে ফেসবুক ইউটিউব instagram থেকে এরপরে এসএমএস বিভিন্ন Notification আসতে থাকে যার ফলে দেখা যায় আমরা সেটা চেক করতে গিয়ে ১/২ মিনিট এর জায়গাতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় নষ্ট করে দেই।

 

আর এটা কিন্তু আমাদের  লেখাপড়ায় অনেক ক্ষতি করে তাই পড়াশোনা করার সময় মোবাইল হাতের কাছে রাখা যাবে না। পড়াশোনা করার সময়ে দরকার ছাড়া কারো সাথে কথা বলবেন না। আর সম্পূর্ণ মনোযোগ বই এর মধ্যে থাকতে হবে। আশে পাশে কি হচ্ছে সেদিকে খেয়াল দেখা যাবে না।

 

আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে ২ ঘণ্টা পড়েন সেটাই যথেষ্ট কিন্তু পড়ার সময়ে মনোযোগ যদি অন্য যায়গাতে থাকে তাহলে পড়ার টেবিলে ১০ ঘণ্টা বসে থাকলেও কোন কাজ হবে না। আর পড়াশোনা করার জন্য এমন একটা যায়গা বেছে নিবেন বা এমন একটা ঘরে আপনার পড়ার টেবিল রাখবেন যেখানে অন্য কেউ যায় না আর আশে পাশের

মানুষদের কথা যাতে না শুনা যায়। অর্থাৎ নিরিবিলি একটা জায়গাতে আপনাকে বই পড়তে হবে।   

০৪. পরাশোনার মাঝে বিরতি দিবেন

একটানা ভাবে পড়বেন না পড়ার সময়ে কিছু সময় বিরতি দিবেন। একটানা ভাবে পড়তে থাকলে পড়তে পড়তে দেখা যাবে আর ভাল লাগতেছে না। তাই ১ ঘণ্টা বা ২ ঘণ্টা পড়ার পরে ১০/১৫ মিনিট একটু রেস্ট করতে পারেন। তারপরে আবার পড়া শুরু করতে পারেন। তবে একটা বিষয় মনে রাখবেন ১০ মিনিটের বিরতি নিতে গিয়ে আবার ১/২ ঘণ্টা যেন না হয়ে যায়।

০৫. Group Study করতে পারেন

আপনি আপনার ক্লাসের কিছু বন্ধুদেরকে নিয়ে এক সাথে গ্রুপ স্টাডি করতে পারেন। সবাই এক সাথে পড়লে অনেক উপকার হয়। কেউ যদি একটা বিষয় না বুজে তাহলে যে পারে তার কাছ থেকে তখন খুব সহজেই জেনে নেওয়া যায়। আর এই ভাবে গ্রুপ স্টাডি করলে আপনি লেখাপড়ার দিক থেকে অনেক এগিয়ে থাকবেন।   

Post a Comment

Previous Post Next Post